আন্তর্জাতিক

পশ্চিম তীরে বড় সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা নেতানিয়াহুর

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১২:২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর হেবরনে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবারের ওই ঘটনায় আরও তিন সেনা আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে দুই হামলাকারীও নিহত হন।

নেতানিয়াহু বলেন, অভিযানের প্রথম ধাপে হেবরনের বাসিন্দাদের বাড়িঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া, বাড়ি বাড়ি তল্লাশি এবং ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংস করা হবে। ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখলের পর এ ধরনের বড় অভিযান চালানো হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হেবরন এলাকায় তল্লাশিসহ ‘সন্ত্রাসবিরোধী আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরু হয়েছে।

হামাস হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে ঘটনাটিকে ‘বীরত্বপূর্ণ অভিযান’ আখ্যা দিয়ে সমর্থকদের আরও হামলার আহ্বান জানিয়েছে। হামলার সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি অভিযানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র পশ্চিম তীরে বিধিনিষেধ ও অবরোধ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সব পক্ষকে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংগঠন বিৎসেলেমও সম্ভাব্য ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ ও যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে-এমন কর্মকাণ্ড ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ চেয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার ইসরায়েলে নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচনী প্রচারে নিরাপত্তা অন্যতম আলোচ্য বিষয়। এদিকে কট্টর ডানপন্থী নেতা ও মন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ পশ্চিম তীরে ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বিলুপ্ত করার দাবি তুলেছেন।

আন্তর্জাতিক থেকে আরো পড়ুন


বিজ্ঞাপন