নাগরী নিউজ ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খালখনন কর্মসূচি যেমন শুরু করেছি।
তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেব, ইনশাআল্লাহ।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী–মাছুয়াখালী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আমরা আগেই বলেছি, আমাদের রাজনীতি হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের জন্য। আমরা জানি, গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী, এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই নারীরা যদি স্বাবলম্বী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। সেজন্য নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে বর্তমান সরকার। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদের আমরা উপবৃত্তিও দেব।
তারেক রহমান বলেন, প্রায় ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই পাতলী খাল খনন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন, ১২০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ বাড়বে এবং সাড়ে ৮ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতি উপজেলায় ৮ থেকে ১০ হাজার কৃষকের কাছে ‘কৃষক কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
তারেক রহমান বলেন, প্রতিবার বাজেটের পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লেও এবার তা বাড়েনি। কারণ সরকার ৬০টি পণ্যের ওপর কর প্রত্যাহার করেছে।
জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, যে বাজেটে জনগণের উপকার হয়, মদ ও সিগারেটের ওপর কর বাড়ানো হয়, সেই বাজেট নিয়েও বিরোধী দল সমালোচনা করছে। তাদের উদ্দেশ্য জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং অস্থিরতা সৃষ্টি করা।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যারা অতীতে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। উন্নয়নের এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।



