নাগরী নিউজ ডেস্ক
তবে হতাশ হতে হয়নি তাকে। মাত্র তিন মিনিট পর পুলিসিকের বাড়ানো বল থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ২-০ করেন এই স্ট্রাইকার।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে আরও একবার জ্বলে ওঠেন বালোগুন। মালিক টিলম্যানের পাস কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। ফলে বিরতিতে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই ড্রেসিংরুমে ফেরে যুক্তরাষ্ট্র।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে প্যারাগুয়ে। ৭৩ মিনিটে এনসিসোর সহায়তায় মাউরিসিও গোল করে ব্যবধান কমালেও ম্যাচে ফেরার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি তারা। বরং শেষ দিকে আরেকটি গোল যোগ করে জয় আরও বড় করে নেয় স্বাগতিকরা। ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়ে চতুর্থ গোল করে যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করে দাপুটে জয়।
ম্যাচের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি আসে এই যোগ করা সময়ের গোলে। দলের শেষ আক্রমণে বল পেয়ে জিও রেইনা নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জড়িয়ে দেন প্যারাগুয়ের জালে। তার গোলেই স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-১, আর সেই গোলের সুবাদেই নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে চার গোল করার কীর্তি গড়ে যুক্তরাষ্ট্র।


