জাতীয় সংসদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও ভৌত কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।
বুধবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মাহফুজা হান্নান (সংরক্ষিত নারী আসন-৪১)-এর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির আগের সাড়ে চার বছরে মাত্র ১৮ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল। গত ছয় মাসে তা বাড়িয়ে ৬৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আগে ইউটিলিটি সেবা স্থানান্তরের কাজেও তেমন অগ্রগতি হয়নি। তবে বর্তমানে এ কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি আগে প্রায় ১৩ শতাংশ ছিল। গত ছয় মাসে তা বেড়ে ৩৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ শতভাগ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজও শেষ হবে। বর্তমানে প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের আওতায় ভৌত কাজ চলছে।’
রবিউল আলম আশা প্রকাশ করেন, সরকার ২০২৯ সালের মাঝামাঝি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দিতে পারবে।
বিদ্যমান মহাসড়কের কয়েকটি অংশের বেহাল অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি স্বীকার করেন, মহাসড়কের কয়েকটি অংশে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, একটি বড় মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প ইতোমধ্যে চলমান থাকায় মেরামত কাজের ব্যয় নির্ধারণে কিছুটা জটিলতার মুখে পড়তে হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মহাসড়কটির জাতীয় গুরুত্ব এবং ওই এলাকায় কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিলেট প্রান্ত থেকে প্রথম সাত কিলোমিটার দ্রুত মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।’
আইটি ল্যাব সলিউশন্স লি.